Text size A A A
Color C C C C
পাতা

কী সেবা কীভাবে পাবেন

 

কি সেবা কিভাবে পাওয়া যাবে

ক্র/নং

প্রদত্ত সেবা

সেবা পাওয়ার পদ্ধতি

সেবা প্রদানে নিয়োজিত কার্যালয়

১।

কারখানা রেজিষ্ট্রেশন ও লাইসেন্স প্রদান এবং নবায়ন

ক) বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ মোতাবেক কলকারখানা কর্তৃপক্ষকে কারখানা নির্মাণ বা সম্প্রসারণ/ রেজিষ্ট্রেশন অথবা লাইসেন্স গ্রহন বা নবায়নের জন্য প্রধান পরিদর্শক/উপ-প্রধান পরিদর্শক এর বরাবরে আবেদন করতে হবে।

খ) রেজিষ্ট্রেশন ও লাইসেন্স/নবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় বিষয়াদিঃ-

   ১) কারখানার বিস্তারিত নির্মাণ নকশা;

   ২) ট্রেড লাইসেন্সের ফটোকপি;

   ৩) ১ নং ও ২ নং ফরমের তথ্যাদি;

   ৪) মেমোরেন্ডাম (লিমিটেড কোম্পানীর ক্ষেত্রে)

    ৫) লাইসেন্স ফি ও নবায়ন ফি পরিশোধের মূল                 কপি;

 গ) লাইসেন্স ফি ও নবায়ন ফিঃ

ক্যাটফগরী

শ্রমিক সংখ্যা

লাইসেন্স ফি

নবায়ন ফি

৫ হতে ৩০

৫০০/-

২৫০/-

বি

৩১হতে ৫০

১০০০/-

৫০০/-

সি

৫১হতে ১০০

১৫০০/-

৮০০/-

ডি

১০১হতে ২০০

২৫০০/-

১২০০/-

২০১হতে ৩০০

৩০০০/-

১৫০০/-

এফ

৩০১হতে ৫০০

৫০০০/-

২৫০০/-

জি

৫০১হতে ৭৫০

৬০০০/-

৩০০০/-

এইচ

৭৫১হতে১০০০

৮০০০/-

৪০০০/-

আই

১০০১হতে২০০০

১০,০০০/-

৫০০০/-

জে

২০০১হতে৩০০০

১২,০০০/-

৬০০০/-

কে

৩০০১হতে৫০০০

১৫,০০০/-

৭০০০/-

এল

৫০০০এর ঊর্ধে

১৮,০০০/-

৮০০০/-

  ঘ) কারখানা কর্তৃপক্ষের নিকট হতে আবেদন পাওয়ার পর সে বিষয়ের উপর সরেজমিনে তদন্ত করা হয় এবং যথাশীঘ্র সম্ভব বিষয়টি নিষ্পত্তি করা হয়।   

ঙ) ইস্যুকৃত কারখানার লাইসেন্স নমূহ প্রতিবছর ৩১ শে ডিসেম্বর তারিখের মধ্যে নবায়ন করতে হয়।

চ) কারখানা কর্তৃপক্ষের নিকট হতে আবেদন প্রাপ্তির ২(দুই) মাসের মধ্যে লাইসেন্স প্রদানের বিষয়টি নিষ্পত্তি করতে হয়।

ছ) যদি কর্তৃপক্ষ কোন কারণে কারখানা নির্মাণ বা সম্প্রসারণ অথবা রেজিষ্ট্রেশন বা লাইসেন্স প্রদানের অনুমতি প্রদান করতে অপারগতা প্রকাশ করে, সেক্ষেত্রে আবেদনকারী উক্ত অপারগতা প্রকাশের ৬০(ষাট) দিনের মধ্যে সরকারের কাছে আপীল করতে পারবেন।

 

কল-কারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন পরিদপ্তরের বিভাগীয় দপ্তর।

 

 

 

২।

শিল্প-কারখানা/প্রতিষ্ঠানে নিয়োজিত শ্রমিকদের চাকুরী বিধি অনুমোদন করা।

ক) শিল্প-কারখানা/প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ শ্রমিক নিয়োগ সংক্রান্ত চাকুরী বিধি প্রণয়নপূর্বক অনুমোদনের জন্য প্রধান পরিদর্শক এর নিকটে আবেদন করবে।

খ) আবেদন প্রাপ্তির ৬(ছয়) মাসের মধ্যে প্রধান পরিদর্শক যথাযথ আদেশ প্রদান করবেন। প্রধান পরিদর্শক কর্তৃক অনুমোদন ব্যতীত কোন চাকুরী বিধি কার্যকর হবে না।

গ) আবেদন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে বিদ্যমান শ্রম আইন এর সাথে সঙ্গতিপূর্ণ হলে অনুমোদন প্রদান করা হয়।অসঙ্গতিপূর্ণ হলে সুপারিশসহ সংশোধনের জন্য তা আবেদনকারী/কর্তৃপক্ষের নিকট ফেরত দেয়া হয়।

ঘ) প্রধান পরিদর্শক এর আদেশে সংক্ষুদ্ধ কোন ব্যক্তি আদেশ প্রাপ্তির ৩০(ত্রিশ) দিনের মধ্যে সরকারের নিকট আপীল পেশ করতে পারবেন।

কল-কারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন পরিদপ্তরের সদর দপ্তর।

 

৩।

বাংলাদেশ শ্রম আইন এর বিভিন্ন ধারা ও বিধি সম্পর্কিত জিঞ্জাসার জবাব দেয়া।

ক) বিভিন্ন শিল্প-কারখানার মালিক/কর্তৃপক্ষ কর্তৃক পত্র, টেলিফোন, ফ্যাক্স, ই-মেইল এর মাধ্যমে শ্রম আইনসংক্রান্ত প্রাপ্ত প্রশ্ন বা জিঞ্জাসার উত্তর বা জবাবযথাযথ মাধ্যমে প্রদান করা হয়।

খ) শ্রম আইনের বিভিন্ন ধারা ও বিধি হতে কোন শিল্প-কারখানা/প্রতিষ্ঠানকে অব্যাহতি দেয়া হলে তা যথাযথ কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে জানানো হয়।

গ) যে সকল জটিল বিষয়ে ব্যাখ্যা/বিশ্লেষণ/মতামত বা অব্যাহতি দেয়া প্রধান পরিদর্শকের এখতিয়ার বর্হিভূত, সেই সম্পর্কে মন্ত্রণালয়ের দিক নির্দেশনা পাওয়ার পর তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে জানানো হয়।

ঘ)কর্তৃপক্ষের নিকট হতে বিভিন্নপ্রশ্ন/জিঞ্জাসা বা অব্যাহতির জন্য লিখিত আবেদন পাওয়ার পর ৭-৮ দিনের মধ্যে অত্র পরিদপ্তরের উত্তর বা মতামত যথাযথ মাধ্যমে জানানো হয়।

ঙ) ন্যয়সঙ্গত কোন কারণ ব্যতীত ৭-৮ দিনের মধ্যে সেবা প্রদানে ব্যর্থ কর্মকর্তা/কর্মচারী যথাযথ আইনানুগ শাস্তির ব্যবস্থা গৃহীত হয়।

 

৪।

শ্রমিক কর্তৃক আনীত  লিখিত অভিযোগের বিষয়সমূহ তদন্ত এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন

ক) শ্রমিক/কর্মচারীদের কল্যাণ/স্বাস্থ্য/নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়ে বাংলাদেশ শ্রম আইন এর আওতাধীন কোন সুযোগ-সুবিধা হতে মালিক/কর্তৃপক্ষ বঞ্চিত করলে বা তা লংঘন করা হলে এই সকল বিষয় অত্র পরিদপ্তরের গোচরীভূত হলে বা এই সকল বিষয়ে কোন অভিযোগ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট  বিভাগীয় দপ্তর/আঞ্চলিক অফিস/শাখা অফিসসমূহে সংশ্লিষ্ট পরিদর্শকের মাধ্যমে সরেজমিনে তদন্তপূর্বক যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়।

খ) অভিযোগ গোচরীভূত হওয়ার পর অথবা সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পাওয়ার পর অভিযোগের ধরন অনুযায়ী ৭-১৫ দিনের মধ্যে সরেজমিনে তদন্ত কাজ সম্পন্ন করা হয়।

গ) তদন্ত প্রতিবেদনের বর্ণিত বিষয়ে পত্র মারফত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করা হয় এবং ১ (এক) হতে দেড় মাসের মধ্যে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়।

ঘ) অত্র পরিদপ্তরে কর্মরত কোন কর্মকর্তা/কর্মচারীর উপর অর্পিত দায়িত্ব পালনে অবহেলাজনিত ব্যর্থতার কারণে।

কল-কারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন পরিদপ্তরের সদর দপ্তর, বিভাগীয় দপ্তর, আঞ্চলিক দপ্তর, এবং শাখা অফিসসমূহ।

৫।

ডক শ্রমিকদের নিয়োগ নিয়ন্ত্রণ ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়াবলী

ডক শ্রমিকদের নিয়োগ নিয়ন্ত্রণ এবং নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়াবলী নিশ্চিত করার দায়িত্ব অত্র পরিদপ্তরের যেমনঃ- উপকূলের কোন কর্মস্থলে ডক, পোতাশ্রয়, ঘাট, জেতি, নৌ-পথ এবং জাহাজে কর্মরত শ্রমিকদের সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা করা।

চট্টগ্রাম ও খুলনা বিভাগীয় দপ্তর

৬।

অত্র দপ্তরের কার্যাবলীর বিভিন্ন তথ্য, উপাত্ত ও পরিসংখ্যান

ক) অত্র পরিদপ্তরের মাসিক, ত্রৈমাসিক, ষান্মাসিক ও বার্ষিক প্রতিবেদন প্রয়োজন ও চাহিদা মোতাবেক তৈরি করা হয়।

খ) এছাড়াও রেজিষ্টার্ড কারখানার সংখ্যা, কারখানার শ্রেণী, শ্রমিক সংখ্যা, দুর্ঘটনা প্রতিবেদনসহ বিভিন্ন ধরনের তথ্য-উপাত্ত সগ্রহ, বিশ্লেষণ ও গবেষণা করে রিপোর্ট তৈরি করা হয়।

সদর দপ্তর